প্রতিকূল আবহাওয়ার প্রভাবে কয়েক বছরে প্রধান উৎপাদনকারী দেশগুলোয় কফির ফলন কমেছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যটির দাম রেকর্ড সর্বোচ্চে পৌঁছেছিল। দামের এ ঊর্ধ্বমুখিতার কারণে উৎপাদনকারী দেশগুলো নতুন বাগান স্থাপন করেছে। ফলে আগামী তিন বছরে বিশ্বব্যাপী কফির সরবরাহ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়তে পারে। বৃহস্পতিবার ব্রাজিলের কফি রফতানিকারক সংস্থা সেকাফের আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন ইন্টারন্যাশনাল কফি অর্গানাইজেশনের (আইসিও) নির্বাহী পরিচালক ভানুসিয়া নোগেইরা। খবর রয়টার্স।
তবে বাজার পরিস্থিতি যথেষ্ট অনুকূল থাকলে এবং ফলন ভালো হলেই শুধু এমন পূর্বাভাস বাস্তবায়ন হবে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন তিনি। নোগেইরা বলেন, ‘নতুন কফি বাগানগুলো উৎপাদন শুরু করতে প্রায় তিন বছর সময় প্রয়োজন হতে পারে।’
তিনি জানান, বৈশ্বিক কফি বাজারে ধারাবাহিক সরবরাহ ঘাটতির অবসান হতে পারে ২০২৬ সালে। তবে এটি ব্রাজিল, কলম্বিয়া ও ভিয়েতনামের মতো প্রধান উৎপাদনকারী দেশগুলোর আবহাওয়ার ওপর নির্ভর করছে।